ঝড় বৃষ্টির দিনে খেতে দারুন মজার কাঁচা আমের খিচুড়ি ! কাঁচা আমের খিচুড়ি রান্নার রেসিপি
কাঁচা আমের খিচুড়ি চাল, মসুর ও মাশকলাইয়ের ডাল আর মশলা দিয়ে রান্না করা একটি স্বাদের খাবার। শেষ পর্যায়ে কাঁচা আম দিয়ে এটি পরিবেশন করা হয়। পুষ্টি সম্পর্কিত: একটি সাধারণ পরিবেশনায় ৩০০ থেকে ৩৯০ ক্যালরি হতে পারে।
শেয়ার করুন:
উপকরণ
- •পোলার চাল তিন কাপ
- •মসুরের ডাল এবং মাশকলের ডাল দুটি মিলিয়ে দেড় কাপ
- •পেঁয়াজকুচি আধা কাপ
- •সরিষার তেল তিন টেবিল চামচ
- •দারচিনি তিন টুকরো
- •এলাচ চারটি
- •তেজপাতা তিনটি
- •লবঙ্গ চারটি
- •শুকনো মরিচ চারটি
- •হলুদের গুড়া দুই চামচ
- •জিরার গুড়া দুই চামচ
- •মরিচের গুড়া এক টেবিল চামচ
- •আদা এবং রসুন বাটা এক টেবিল চামচ করে
- •লবণ স্বাদ মত
- •কাচা মরিচ সাত থেকে আটটি
- •কাচা আম দেড় কাপ
রান্নার ধাপ
- 1প্রথমে এখানে কাচা আম গুলো নক্যে নিলাম। এই আম গুলো ছিলে চারকোনা টুকরো করে কেটে নিয়েছি। তারপর ধুয়ে নিব। এরপর চুলায় একটি প্যানের মধ্যে সরিষার তেল দিয়ে দিলাম। এর সাথে দিয়ে দিচ্ছি, দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ তেজপাতা, শুকনো মরিচ এবং পিয়াজ কুচি। নেড়েচেড়ে দুই এক মিনিটের মতো ভেযে নেওয়ার পর এখন এর সাথে দিয়ে দিচ্ছি ধুয়ে রাখা ডাল এবং পোলাও এর চালগুলো। নেড়েচেড়ে একটু ভেযে সাথে দিয়ে দিচ্ছি আদা বাটা, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, জিরার গুড়া। নেড়েচেড়ে আবার ভেজে নিব। ভালোকরে ৬-৭ মিনিট চাল এবং ডাল ভেজে একদম শুকনো অবস্থা হয়ে গিয়েছে এখন এর মধ্যে গরম পানি দিয়ে দিচ্ছি, চাল এবং ডালের দিগুণ অর্থাৎ ৯ কাপ।
- 2দিয়ে দিচ্ছি সাদ মত লবন। নেড়েচেড়ে ভালো করে মিশিয়ে নিয়েছি। এখন প্যানের ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে । প্রায় পাঁচ - ছয় মিনিট পর ,এর পানির পরিমাণটা কমে গিয়েছে। এবং ভালোভাবে ফুটে উঠেছে। এই পর্যায়ে আবারও ভালভাবে নেরে দিচ্ছি। নেড়ে চেড়ে এখন এর ভিতর অর্থাৎ নিচের দিকে যতটুকু পানি রয়েছে এটা দমে দিলে পানিটা টেনে সম্পূর্ণভাবে। তাই এখন সবচাইতে কম আছে করে প্যানের ঢাকনা দিয়ে আবারো ঢেকে দিব । প্রায় ৮ থেকে ১০ মিনিট পর ,ঢাকনাটা খুলে এর উপর দিয়ে দিচ্ছি কাঁচামরিচ গুলো এবং চারকোনা করে কেটে রাখা কাঁচা আমগুলো। নেড়েচেড়ে আমগুলো খিচুড়ির ভেতরে দিয়ে দিব, আমটা সিদ্ধ হয়ে যাবে।
- 3আবারো প্যানের ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিচ্ছি। প্রায় দশ মিনিট পর, আমগুলো সিদ্ধ হয়ে গেছে। এবং চালটাও । নেড়েচেড়ে পরিবেশন করব। আমটা প্রথম দিকে দেওয়া হয়নি। কারণ ,আমগুলো যেহেতু কাঁচা আম এবং আমটা সিদ্ধ হতে বেশি সময় নেয় না। প্রথম দিকে দিলেআমগুলো ভর্তা হয়ে যেত। আর এইভাবে করলে খিচুড়ির সাথে আমগুলো ভেংে নিয়ে খেতেও ভালো লাগে। তাই শেষে দিকে দিলেই ভালো হয়। তবে যার যার রুচি অনুযায়ী। এভাবে হয়ে গেল কাঁচা আমের খিচুড়ি রান্নার রেসিপি। প্রস্তুত সময়: ৫০ মিনিট।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
কাঁচা আমের খিচুড়ি রান্নায় কী কী উপকরণ লাগে?+
এতে পোলাওয়ের চাল, মসুর ও মাশকলাইয়ের ডাল, পেঁয়াজকুচি, সরিষার তেল, দারচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা, শুকনো মরিচ, হলুদ, জিরা, মরিচ, আদা-রসুন বাটা, কাঁচা মরিচ ও কাঁচা আম লাগে।
কাঁচা আম কখন খিচুড়িতে দিতে হয়?+
কাঁচা আম প্রথম দিকে না দিয়ে শেষের দিকে দিতে হয়, কারণ শুরুতে দিলে আম ভর্তা হয়ে যেতে পারে।
খিচুড়ি রান্নায় কত পানি দিতে হয়?+
চাল ও ডালের দ্বিগুণ অর্থাৎ নয় কাপ গরম পানি দিতে হয়।