একটু অন্যরকম কিন্তু দারুন মজার করলা আলু ভাজি রেসিপি ! একবার খেলেই বুঝবেন ! alu korola vaji
করলা ও আলুর এই শুকনো ভাজিতে লবণ মাখিয়ে করলার তিতা ভাব কমানো হয়েছে। সরিষা, জিরা ও আমচুরের স্বাদে ভাজিটি আলাদা রকম মজার। প্রস্তুত সময়: ৪০ মিনিট। পুষ্টি সম্পর্কিত: ১০০ গ্রাম করলায় রয়েছে ২৮ কিলো ক্যালরি। তবে দেখতে এল এবং আলু যোগ করায় আরো ক্যালোরের পরিমাণ বেড়ে যায়।
শেয়ার করুন:
উপকরণ
- •করলা দুটি একটু বড় সাইজের
- •আলু তিনটি মাঝারি সাইজের
- •তেল তিন টেবিল চামচ
- •কালো বা লাল সরিষা এক চামচ
- •আসতো জিরো এক চামচ
- •হলুদ গুঁড়া আধা চামচ
- •মরিচের গুড়া দের চামচ
- •ধনিয়ার গুড়া আড়াই চামচ
- •স্বাদমতো লবণ
- •আমচুর
রান্নার ধাপ
- 1প্রথমে এখানে করলা গুলো নিয়ে নিলাম। করলাটা গোল গোল করে একটু মোটা করে কেটে নিব। এবং এর ভেতরের বিচির অংশগুলো অবশ্যই ফেলে দিবো। তারপর এই করলার সাথে লবণ দিয়ে ভালো করে মেখে তারপর রেখে দিবো আধ ঘন্টার জন্য। এবং আলুগুলো আমি এখানে একটু পাতলা করে কেটে নিয়েছি। আর পানির মধ্যে ভিজিয়ে রেখেছি। প্রায় এক ঘন্টা পর করলা গুলো থেকে পানি ছেড়ে নিচে জমেছে। এখনই করলাগুলো নিয়ে, চেপে চেপে এর থেকে আরো পানি বের করে নিব। একটু সাবধানে করব যেন করলা গুলো ভেঙ্গে না যায়। তারপর চুলায় একটি প্যানের মধ্যে তেল মাঝারি আছে গরম করে নিয়েছি। এর মধ্যে আলু গুলো ছেড়ে ভেজে নিতে হবে। চুলার জলটা একটু হাই হিটে করে ২-৩ মিনিট আলুগুলো ভেজে নেওয়ার পর, কিছু কিছু আলু বাদামী হয়ে গিয়েছে । এখন এগুলো তুলে নিব।
- 2এই একই তেলের মধ্যে করলা গুলো ভেজে নিচ্ছি। করলা গুলো মিনিটখানেক ভেজে এগুলোও একটু বাদামী হয়ে আসলে বের করে নেব। আব্র একই তেলের মধ্যে দিয়ে দিচ্ছি সরিষা এবং আস্ত জিরা। নেড়েচেড়ে দিয়ে দিচ্ছি পেঁয়াজ কুচি এবং রসুনের কুচি। একটু ভেজে নিয়ে যখন রোশুন এবং পেঁয়াজগুলো হালকা লাগছে হতে শুরু করলে,তখন এর সাথে দিয়ে দিচ্ছি মরিচের গুড়া, হলুদের গুড়া এবং ধনিয়ার গুড়া। দিয়ে দিচ্ছি একটু লবণ। নেড়েচেড়ে দুই তিন মিনিট একটু ভেজে নিতে হবে। এখানে তেল দেওয়ার প্রয়োজন, অনেকেই মনে করবেন। যেহেতু শুকনো শুকনো হয়ে আসছে, কিন্তু এই ভাজিটা একটু সুকনোই হয়। এখানে কোন প্রকার আর তেল বা পানি ব্যবহার করা যায় না। এই তিন টেবিল চামচেই আমি আলু, করলা এবং পুরো রান্নাটাই করছি।
- 3এখন মসলাটা এই শুকনো অবস্থায় একটু ভেজে নিতে হবে। তারপর এর মধ্যে দিয়ে দিব ভেজে রাখা আলু এবং করোলা গুলো। দিয়ে দিচ্ছি কাচা মরিচ ফালি করা। এবং উপর থেকে একটু আমচুর ছিটিয়ে দিচ্ছি। এটার টেস্ট আরও বেড়ে যাবে। আমার কাছে কাচা আমের আই আমচুর পাউডারটা ছিল তাই ফিলাম। না দিলেও কোনো সমস্যা নেই। নেড়েচেড়ে 2-3 মিনিটের মতো ভেজে নামিয়ে নিব। এভাবে হয়ে গেলো এক অন্যরকম করলা আলুর ভাজির রেসিপি। যারা করলা খেতে পছন্দ করেন না,তারাও এই করলার ভাজি খেতে চাইবেন। আর করলায় লবন দিয়ে মেখে রাখায় এর তিতা ভাবটা আরও চলে যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
করলা আলু ভাজিতে তিতা ভাব কমানোর উপায় কী?+
করলা কাটার পর লবণ দিয়ে ভালো করে মেখে আধ ঘন্টা রাখতে হয়। এতে করলা থেকে পানি ছেড়ে দিলে তিতা ভাব অনেক কমে যায়।
এই ভাজিতে কতটুকু তেল লাগে?+
রেসিপি অনুযায়ী তিন টেবিল চামচ তেলেই আলু, করলা ও পুরো রান্না করা হয়। ভাজির সময় অতিরিক্ত তেল বা পানি ব্যবহার করা হয় না।
আমচুর না থাকলে কি চলবে?+
হ্যাঁ, রেসিপিতে বলা হয়েছে আমচুর না দিলেও কোনো সমস্যা নেই।