ডিম রান্না খেতে একঘেয়ে লাগলে এভাবে একবার বানিয়ে দেখুন দারুন মজার মশলাদার ভাঁজা ডিম আলু ডালের তরকারি
ভাজা ডিম, আলু ও মসুর ডালের মিশিয়ে বানানো একটি মশলাদার তরকারি। পেঁয়াজ, রসুন ও জিরার গুঁড়ার স্বাদে ভরপুর এই পদ ভাতের সঙ্গে দারুণ লাগে। প্রস্তুত সময়: ৪০ মিনিট পুষ্টি সম্পর্কিত: ডিম ডালের এই তরকারির মধ্যে থাকতে পারে ৩০০-৩৫০ ক্যালতি এর কাছাকাছি।
শেয়ার করুন:
উপকরণ
- •ডিমের সাথে মেশানোর জন্য -
- •ডিম - তিনটি
- •পেঁয়াজকুচি আধা কাপ
- •কাঁচা মরিচ কুচিস্বাদ মতো
- •আদা বাটা, রসুন বাটা- দেড় চামচ করে
- •হলুদ গুড়া আধা চামচ
- •মরিচ গুড়া এক চামচ
- •লবন স্বাদ মতো
- •রান্নার জন্য -
- •পিয়াজ কুচি একটা মাঝারি আকারের
- •রসুনের কোয়া দুটি কুচি করে নেওয়া
- •তেল পরিমাণ মতো
- •আদা বাটা রসুন বাটাআধা টেবিল চামচ করে হলুদ গুঁড়া এক চামচ
- •মরিচ গুঁড়া দেড় চামড়া
- •জিরার গুড়া- এক চামচ
- •কাচা মরিচ চারটি
- •মসুরের ডাল এক কাপ
- •আলু একটা মাঝারি সাইজের
- •বাগাড়ের জন্য-
- •সরিষার তেল আধা টেবিল চামচ এর বেশি
- •পিয়ান কুচি ছোট একটা
- •রসুন কুচি এক টেবিল চামচ
- •শুকনো মরিচ চারটি
রান্নার ধাপ
- 1প্রথমে এখানে একটি পাত্রের মধ্যে পেঁয়াজকুচি নিয়ে নিলাম । এর সাথে দিয়ে দিচ্ছি কাঁচা মরিচ কুচি, স্বাদমতো লবণ, দিয়ে দিচ্ছি হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা,এখনই সমস্ত উপকরন গুলো পেঁয়াজের সাথে ভালো করে মিশিয়ে নেব। যেন পেঁয়াজটা একটু নরম হয়ে আসে। তারপর দিয়ে দিচ্ছি, তিনটা ডিম। এখন ভালো করে ফেটে নেব। তারপর চুলায় একটি ফ্রাইপ্যান বসিয়ে দিলাম। এর মধ্যে তেল গরম করে নিয়েছি। এবং এই ফেটে রাখা ডিমের মিশ্রণ টা ঠেলে দিব। ভালো করে গোল করে ছড়িয়ে নিচ্ছি। কিছুক্ষণের মধ্যে এর উপরের অংশগুলো সিদ্ধ হয়ে আসলে ,এটা উল্টে দিব। অর্থাৎ এক পাশের অংশ আরেক পাশে ডিমের সাথে লাগিয়ে দিব। এ পর্যায়ে চুলার জ্বালটা বন্ধ করে দিচ্ছি। এর মধ্যেই সিদ্ধ হয়ে যাবে। তারপর এই ভেজে। নেওয়া ডিমটির চার টুকরো করে কেটে নেব।
- 2তারপর একই কড়াই এর মধ্যে আরও একটু তেল দিয়ে দিচ্ছি । এবং এর মধ্যে পেঁয়াজ কুচি এবং রসুন কুচি দিয়ে দিব। নেড়েচেড়ে একটু ভেজে নিতে হবে। যখন পেঁয়াজগুলো লালচে হতে শুরু করবে ,তাখন এর মধ্যে তখন দিয়ে দিচ্ছি আধা বাটা, রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া ,মরিচ গুড়া এবং কয়েকটা কাঁচামরিচ ভেঙ্গে দিয়েছি। নেড়েচেড়ে এখন মসলাটা একটু কষিয়ে নিতে হবে। তারপর এর সাথে দিয়ে দিব ধুয়ে রাখা ডালগুলো এবং কুচি করে কেটে রাখা আলু গুলো। নেড়েচেড়ে কয়েক মিনিট আবার ভেজে নিতে হবে । নেড়েচেড়ে ডাল এবং আলুর পানিটেনে নিয়েছে তখন এর সাথে দিয়ে দিচ্ছি আধা কাপ কিংবা তার একটু কম পানি। নেড়েছেড়ে মেশিয়ে নিছি এখন চুলার জ্বালটা মাঝারি থেকেও কম আছে করে দেবো । তারপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়েছি। যেনো ডালগুলো দ্রুত সিদ্ধ হয়ে আসে। এবার এটা শুকিয়ে আশা পর্যন্ত অপেক্ষা করব।
- 3কয়েক মিনিটের মধ্যে পানি গুলো সমস্ত টেনে নিয়েছে। এবং ডালগুলো প্যানের সাথে লেগে যাওয়ার মত অবস্থা । এই সময় আমি যেটুকু ঝোল চাইবো সেই অনুযায়ী পানির পরিমাণটা দিয়ে দিচ্ছি। প্যানের ঢাকনা দিয়ে, আবার ঢেকে দিয়েছি। যখন ফুটে উঠবে তখন এর মধ্যে দিয়ে দিচ্ছি, পাশের চুলায় আমি পিয়াজ রসুন কুচি,এবং শুকনো মরিচ লালচে করে ভেযে রেখেচগিলাম। এই বাগারটা ডালের মধ্যে ঢেলে দিব। এবং কেটে রাখা ডিম গুলোও বিছিয়ে দিব। চুলার জ্বাল টা মাঝারি আচে করে, আরও ৮-১০ মিনিট জ্বাল করে নিতে হবে। এই সময়ের পর,এর উপর থেকে ভাজা জিরার গুড়া ছিটিয়ে দিব। তারপর চুলার জ্বাল বন্ধ করে দিব। এবং এর উপর কিছুক্ষণ রেখে দেবো, যেন ভালো করে সেট হয়ে আসে। এভাবে হয়ে গেল। মশালাদার ভাজা ডিম আলু ডালের তরকারি রান্নার রেসিপি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এই রেসিপিতে কয়টি ডিম লাগবে?+
রেসিপিতে ডিমের মিশ্রণের জন্য তিনটি ডিম ব্যবহার করা হয়েছে।
রান্নার জন্য মসুর ডালের পরিমাণ কত?+
এই রেসিপিতে মসুরের ডাল এক কাপ লাগবে।
রান্না করতে মোট সময় কত লাগে?+
রেসিপিতে প্রস্তুত সময় ৪০ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে।
তরকারির শেষে কোন মসলা ছিটিয়ে দেওয়া হয়?+
রান্না শেষে ভাজা জিরার গুঁড়া ছিটিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।